ঢাকা, ১৮ জুলাই, ২০১৯ || ৩ শ্রাবণ ১৪২৬
bbp24 :: বরেন্দ্র প্রতিদিন
৩২৫

স্বল্পোন্নত দেশে আমদানি উদারীকরণ নীতি চাপানো হচ্ছে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ২ জুন ২০১৪  


বহুজাতিক কোম্পানিগুলো মুনাফা নিশ্চিত করতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিইটিও) মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর ওপর ‘আমদানি উদারীকরণ নীতি’ চাপিয়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে উন্নয়ন সংস্থা ইক্যুইটি অ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ (ইক্যুইটিবিডি)।

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে সংস্থাটির প্রধান সঞ্চালক রেজাউল করিম চৌধুরী এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী অবাধ বাণিজ্য নিশ্চিত করার কথা বলে স্বল্পোন্নত দেশের ওপর আমদানি উদারীকরণ নীতি চাপানো হচ্ছে। কিন্তু অনেক দেশ তার নিজস্ব শিল্প বিকাশের স্বার্থে অনেক সময় নির্দিষ্ট কোনো পণ্য আমদানি বন্ধ বা তাতে শুল্কারোপ করে থাকে। শিল্পটি যথেষ্ট শক্তিশালী হলেই কেবল আমদানির সুযোগ দেয়া হয়। যাতে বিদেশি পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে দেশি শিল্পটি টিকে থাকতে পারে। অবাধ ও ঢালাও আমদানির ফলে সেই শিল্পই ধ্বংস হয়ে যায়।’

রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘বিশ্বে একচেটিয়া ব্যবসা বন্ধ, বাণিজ্য বাধা অপসারণ ও ভারসাম্য রক্ষায় ডব্লিইটিওর সৃষ্টি। কিন্তু বাস্তবে এর চেহারা ভিন্ন। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা একচেটিয়াভাবে ধনী দেশগুলোর হাতে। ফলে ডব্লিউটিওর মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন সম্ভাবনা সুদূরপরাহত।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার অধীনে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর চুক্তি হতে যাচ্ছে ট্রেড ইন সার্ভিসেস অ্যাগ্রিমেন্ট (টিসা)। সেবাখাতগুলোকে বাণিজ্যের আওতায় আনাই এর উদ্দেশ্য। যদি বিদেশি কোম্পানিগুলো অবাধে সেবাখাতে বাণিজ্য শুরু করে, তাহলে অচিরেই শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো সেবা দেশের অধিকাংশই মানুষের সক্ষমতার বাইরে চলে যাবে।’

শতভাগ শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা না পাওয়া পর্যন্ত কোনো বাণিজ্য চুক্তি আরোপ না করার জন্য বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রতি আহ্বান জানায় (ইক্যুইটিবিডি)।

মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন মোস্তফা কামাল আকন্দ, সুবল সরকার, আমিনুর রসুল বাবুলসহ ইক্যুইটিবিডির সদস্যরা।

 

অনু


এই বিভাগের আরো খবর