ঢাকা, ১৮ জুলাই, ২০১৯ || ৩ শ্রাবণ ১৪২৬
bbp24 :: বরেন্দ্র প্রতিদিন
১৭

সংবাদকর্মী থেকে বিনোদন জগতের তারকা

প্রকাশিত: ৪ জুলাই ২০১৯  


পেশাজীবী মানুষের অন্য পেশার প্রতি আকর্ষণ থাকতে পারে কারো কারো। সেই আকর্ষণে অনেকে পেশাও পরিবর্তন করেন। পুরনো কাজ ছেড়ে নতুন পেশায় গিয়ে সফল হয়েছেন অনেকেই। শোবিজের সঙ্গে সাংবাদিকতা পেশার মানুষদের সখ্য ছিল সবসময়ই। বলা যায় দুটি পেশার মানুষেরা একে অন্যের পরিপূরক। সাংবাদিকতা দিয়ে মিডিয়ায় কাজ শুরু করে এক সময় বিনোদন জগতের বাসিন্দা হয়েছেন দেশের বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় তারকা। বিনোদন জগতে এসে কাজ করে পেয়েছেন তারকাখ্যাতি। অনেকে আবার সাংবাদিকতায় সক্রিয় থেকেও শোবিজে কাজ করেছেন। দুই মাধ্যমে কাজ করা এসব তারকাদের নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই প্রতিবেদন। লিখেছেন - বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই সাংবাদিকতা দিয়ে মিডিয়ায় কাজ শুরু করেছিলেন এ সময়ের অনেক তারকা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর। ‘চিত্রালী’ পত্রিকায় তিনি বেশ কিছুদিন সাংবাদিকতা করেছেন। এরপর অভিনয়ে যুক্ত হন। সাংবাদিকতায় বেশি দিন কাজ না করলেও সাংবাদিকতার জন্যও অনেকে তাকে মনে রেখেছেন। তিনি মূলত সংস্কৃতি অঙ্গন নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতেন। অভিনয়ে এসে জনপ্রিয় হওয়ার পর আর পেশাদারি সাংবাদিকতায় কাজ করেননি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে পত্রিকাগুলোয় নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর কলাম লিখেছেন। রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর এখন অভিনয়েও আর নিয়মিত নন এই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। নন্দিত নির্মাতা ও উপস্থাপক হানিফ সংকেত মিডিয়ায় আসার আগে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। মিডিয়া ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে সাংবাদিকতার জন্যও আলাদা পরিচিতি গড়ে ওঠে তার। কিন্তু সেই জায়গাটিতে পরে আর থাকেননি। উপস্থাপক কিংবা নির্মাতা হিসেবে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পরও তিনি পত্রিকায় অতিথি লেখক হিসেবে নির্দিষ্ট কোনো বিষয় কিংবা পরিস্থিতি অনুযায়ী কলাম লেখেন। প্রয়াত সাংবাদিক সঞ্জীব চৌধুরী সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও পরে খ্যাতনামা গায়ক ও গীতিকার হিসেবে তুমুল জনপ্রিয়তা পান। আজকের কাগজ, ভোরের কাগজ এবং যায়যায়দিন পত্রিকায় কাজ করেছেন। সৈয়দ হাসান ইমাম মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দৈনিক ইত্তেফাকসহ বাংলাদেশ বেতারে নানাভাবে সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন। মামুনুর রশীদ মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আলী যাকেরও মুক্তিযুদ্ধের সময় বিবিসির প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। অভিনেত্রী ফাল্গুনী হামিদ, শমী কায়সার, গায়ক বাপ্পা মজুমদারও সাংবাদিকতায় কাজ করেছেন। বর্তমান সময়ে কণ্ঠশিল্পী ফাহমিদা নবীও কলাম লিখছেন গণমাধ্যমে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে শিক্ষা সমাপন করে ভোরের কাগজ পত্রিকা দিয়ে সাংবাদিকতায় কাজ শুরু করেন প্রয়াত অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ। এরপর মডেলিং ও অভিনয়ে এসে পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা লাভ করেন তিনি। আমৃত্যু অভিনয়ে নিয়মিত ছিলেন এই জনপ্রিয় তারকা।

জনপ্রিয় অভিনেতা, নির্মাতা ও প্রযোজক মাহফুজ আহমেদের কর্মজীবন শুরু হয়েছিল সাংবাদিকতা দিয়ে। ছিলেন চিত্রালী পত্রিকার বিনোদন প্রতিবেদক। তার লেখালেখির কারণে সেই সময় বেশ পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। তবে অভিনয়ে কাজ করার সুপ্ত বাসনা মনের মধ্যে লালন করেই কাজ চালাতে থাকেন এই বিনোদন তারকা।

কর্মসূত্রে প্রয়াত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে পরিচয় ঘটে তার। অভিনয়ে নিজের আগ্রহের কথা হুমায়ূন আহমেদকে জানালে তিনি এক সময় তার নাটকে অভিনয়ের সুযোগ করে দেন। এরপর থেকে অভিনয় প্রতিভা দিয়েই জনপ্রিয় তারকায় পরিণত হন মাহফুজ আহমেদ। একাধারে নাটক ও চলচ্চিত্রে তুমুল জনপ্রিয়তা নিয়ে কাজ করেছেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়ে সাংবাদিকতায় কাজ শুরু করেন এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা হাসান মাসুদ। নিউ নেশন পত্রিকায় শিক্ষানবিশ রিপোর্টার হিসেবে নতুন করে কর্মজীবন শুরু করেন এ অভিনেতা।

এরপর ডেইলি স্টার হয়ে বিবিসিতেও কাজের সুযোগ পান তিনি। ২০০৩ সালে হঠাৎ করেই অভিনয়ের অভিজ্ঞতা হয় তার। তবে ২০০৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনয়ে প্রবেশ করেন হাসান মাসুদ।

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘ব্যাচেলর’ ছবির মাধ্যমে অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে এ অভিনেতার। ছবিটি মুক্তির পর হঠাৎ করেই তারকাখ্যাতি চলে আসে তার জীবনে। এরপর দীর্ঘ সময় মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সঙ্গেই অনেক নাটকে অভিনয় করেন। পরে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন অভিনয়ে। ২০১৬ সালে অভিনয় থেকে অবসর নিয়ে ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে সময় দিচ্ছেন তিনি।

মিডিয়ায় আসার আগে সাংবাদিকতার প্রতি আগ্রহ ছিল জয়া আহসানের। এক সময় তিনি দৈনিক ভোরের কাগজের বিনোদন বিভাগের সাংবাদিকদের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডাও দিতেন। সাংবাদিকতা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতেন। সেখান থেকেই তার মিডিয়ায় পথচলা শুরু।

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ফেরদৌসও সাংবাদিকতায় যুক্ত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা এ চিত্রনায়ক পড়ালেখার পর শোবিজে চলে আসেন। পেশাদার সাংবাদিক না হলেও অভিনয় ক্যারিয়ার শুরুর আগে অতিথি লেখক হিসেবে পত্রিকায় কাজ করেছেন।

এ সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীও এক সময় সংবাদকর্মী ছিলেন। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাভিশনে সংবাদ পাঠিকা হিসেবে প্রায় তিন বছর কাজ করেছেন।

সেখানে কাজ করার সময়েই সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি। শুরুতেই শাকিব খানের সঙ্গে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়ায় ছবি মুক্তির আগেই তারকাখ্যাতি পেয়ে যান তিনি। এখনও নিয়মিত অভিনয় করছেন চলচ্চিত্রে। সংবাদ মাধ্যমে কাজ করার সময় তিনিও নানা ধরনের অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন এ অভিনেত্রী।

উপস্থাপক আনজাম মাসুদ বিনোদন মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগে সাংবাদিকতা করেছেন। উপস্থাপনা ও বিজ্ঞাপন নির্মাণ নিয়ে ব্যস্ত হওয়ার পর সাংবাদিকতায় আর নিয়মিত থাকেননি।

গায়িকা এলিটা করিমও সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে একটি ইংরেজি দৈনিকে বিনোদন সম্পাদক হিসেবে কর্মরত আছেন। অন্যদিকে নিজের তৈরি একটি নিউজ পোর্টালে সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। গায়ক আসিফ আকবরও তারকা হওয়ার পর একটি পত্রিকায় বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন।

প্রতিদিনই নতুন নতুন সংবাদ উপস্থাপন করতে হতো : বুবলী

‘আমি সরাসরি মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিক না হলেও সংবাদ পড়ার সময় নিজেকে সাংবাদিকই মনে করতাম। প্রতিদিনই নতুন নতুন সংবাদ উপস্থাপন করতে হতো। কখনও ভালো, আবার কখনও খারাপ সংবাদ পরিবেশন করতে হতো। নিউজ রুমে সংবাদকর্মীদের তৎপরতা ভালো লাগত। সবাই সবাইকে সহযোগিতা করতেন। আর আমার বাসা ছিল অনেকটা দূরে। সংবাদ পাঠ করার এক ঘণ্টা আগে নিউজ রুমে তৈরি হয়ে হাজির থাকতে হতো। যে নিউজগুলো পরিবেশিত হতো সেগুলো অনেক আগে থেকেই আমাকে পড়তে দেয়া হতো। যেন মানসিকভাবে সেগুলো পরে ইমোশন দেয়া যায়। সময় নিয়ন্ত্রণ করে চলাটা তখনই শিখেছিলাম আমি। সংবাদ পাঠিকা থাকার সময় এক চিকিৎসক ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে অসুস্থ হয়ে যায়। সেই চিকিৎসককে বেশ কয়েক বছর তার চিকিৎসক স্বামী সেবা দিয়েছেন। এ সংবাদটি আমি থাকার সময় প্রায় প্রতি বছরই পরিবেশিত হয়েছে। সংবাদটি পাঠ করার পর আমার চোখে পানি চলে এসেছিল।’

খুব অল্প সময় সাংবাদিকতায় কাজ করার সুযোগ হয়েছিল : ফেরদৌস

‘সাংবাদিকতায় পড়লেও আমার আগ্রহ ছিল বিনোদন জগৎ নিয়ে। তাই আমার সহপাঠীদের অনেকেই পড়ালেখা শেষ করে সাংবাদিকতায় ক্যারিয়ার গড়লেও আমি সেদিকে যাইনি। তারপরও খুব অল্প সময় সাংবাদিকতায় কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। আমার শিক্ষকরাও চাইতেন আমি যেন, সাংবাদিকতায় যুক্ত হই। কিন্তু বন্ধুদের অনেকে আমাকে বিনোদন ভুবনে কাজ করার উৎসাহ দিত। সেই উৎসাহ নিয়েই আমি বিনোদন জগতে পা রাখি। প্রথম আলো এবং আনন্দভুবন ম্যাগাজিনে অল্প সময় কাজের অভিজ্ঞতাও হয়েছে আমার। অভিনয় থেকে অবসর নেয়ার পর সাংবাদিকতায় সময় দেয়ার ইচ্ছা আছে।’

আমার ইচ্ছা ছিল সাংবাদিকতা করা : মাহফুজ আহমেদ

‘আমার ইচ্ছা ছিল সাংবাদিকতা করা। সেই লক্ষ্য অনুযায়ীই কাজ শুরু করি। হুমায়ূন আহমেদ স্যারের সঙ্গে পরিচয় ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আমি বলব, যদি স্যারের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ না হতো তাহলে অভিনেতা হিসেবে প্রস্ফুটিত হতে অনেক সময় লাগত। আমার জীবনের অনেক স্মরণীয় ঘটনা ঘটেছে সাংবাদিকতায় কাজ করার সময়। সে সময় অনেক গুণী মানুষের সঙ্গে সরাসরি দেখা করে কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। এগুলো আমার জীবনের সেরা সঞ্চয়। আজকের এ অবস্থানে আসার জন্য হুমায়ূন আহমেদসহ অনেকের কাছেই আমি ঋণী।’

আমার সামনেই বিভীষিকাময় ঘটনাটি ঘটেছিল : হাসান মাসুদ

‘আমার সাংবাদিকতা জীবনে দুটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা আছে। প্রথমটি ঘটেছে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট। এদিন আমি বিবিসির প্রতিনিধি হিসেবে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের আওয়ামী লীগের সভাস্থলে যাই। আমার সামনেই সেদিনের বিভীষিকাময় ঘটনাটি ঘটেছিল। গ্রেনেড বিস্ফোরণের সময় আমি মাটিতে শুয়ে পড়ি। প্রতি বছর এ দিনটিতে এখন অনেকেই আমার সাক্ষাৎকার নেন। আরেকটি ঘটনা ছিল দক্ষিণাঞ্চলে ঘটে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময়। সে সময়ও আমি বিবিসির প্রতিবেদক হিসেবে ওই অঞ্চলে অফিসের কাজের জন্য অবস্থান করি। প্রতিদিন বরিশাল থেকে সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে আবার বরিশাল ফিরে আসতাম। প্রতিদিনই অনেক অসহায় মানুষকে দেখতাম।’

সাংবাদিকতা করার আগ্রহ ছিল : জয়া

‘ছোটবেলা থেকেই সাংবাদিকতা করার আগ্রহ ছিল। বিভিন্ন ম্যাগাজিনে তারকাদের নিয়ে লেখা ফিচারগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়তাম। দৈনিক ভোরের কাগজে সঞ্জীব দা’সহ বিনোদন বিভাগের সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়মিত আড্ডা দিতাম।

তাদের সঙ্গে সাংবাদিকতার বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করতাম। এসব আলোচনার মাধ্যমে অনেক অজানা তথ্য জানতে পারতাম। সেখান থেকেই মূলত মিডিয়ায় কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয়। এরপর মডেলিংয়ে কাজ করা শুরু করি।

পাশাপাশি অভিনয়েও কাজ করতে থাকি। পরে মডেলিং এবং অভিনয় দুই মাধ্যমেই কাজের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। তাই আমার আর সাংবাদিক হয়ে ওঠা হয়নি। তবে সে সময়ের মানুষগুলোর কথা এখনও মনে পড়ে। বিশেষ করে সঞ্জীব দা’র সাহচার্য ভুলার নয়।’

সাংবাদিক হিসেবে আলাদা গুরুত্ব পেতাম : আনজাম মাসুদ

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ছিলাম। এরপর পড়ালেখা শেষে অল্প সময়ের জন্য একটি দৈনিক পত্রিকায় বিনোদন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। সাংবাদিকতার প্রতি একটা টান ছিল ছোটবেলা থেকেই। সেই ইচ্ছাটা পূরণও হয়েছে। সে সময় কাজ করতে গিয়ে নতুন নতুন অনেক ঘটনা ঘটেছিল। সাংবাদিক হিসেবে আলাদা গুরুত্ব পেতাম মানুষের কাছ থেকে। বন্ধুবান্ধবরাও বেশ উৎসাহ দিত।

আমার সহকর্মী হিসেবে তখন বর্তমান সময়ের খ্যাতিমান সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমানকে পেয়েছিলাম। প্রায় দু’বছরের মতো অভিজ্ঞতা ছিল। তবে আমার লক্ষ্য ছিল অন্যকিছু। তাই এসব ছেড়ে দিয়ে উপস্থাপক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলাম। মানুষ আমার কাজ পছন্দ করায় আমি এখন মিডিয়ায় নিয়মিত আছি।