ঢাকা, ২৬ জুন, ২০১৯ || ১২ আষাঢ় ১৪২৬
bbp24 :: বরেন্দ্র প্রতিদিন
১২৮

রাণীনগরে ইরি-বোরো ধান রোপণে কোমর বেঁধে মাঠে কৃষক

প্রকাশিত: ৯ জানুয়ারি ২০১৯  


নওগাঁর রাণীনগরের নিন্মাঞ্চলে ইরি-বোরো ধান রোপণে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে কৃষকরা। বন্যার পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় বুক ভরা আশা নিয়ে এই এলাকার কৃষকরা পুরোদমে শুরু করে দিয়েছে ইরি-বোরো ধান রোপণের কাজ। জানা গেছে, উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে রোপা-আমন মৌসুমে বন্যার পানি নেমে যাবার সাথে সাথে কৃষকরা তরিঘড়ি করে মাঠে নামেন বীজতলা তৈরি করার জন্য। চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে রাণীনগর উপজেলায় ১৯ হাজার ৫ শ’ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান রোপণের লক্ষ্যে ৮ টি ইউনিয়নে ১২শ’ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগের জোড়ালো নজরদারী আর কৃষকদের সচেতনতার কারণে রোগবালায় মুক্ত রয়েছে বীজতলা। ইতিমধ্যে উপজেলার নিন্মাঞ্চলে কৃষকরা পুরোদমে ধান রোপণের কাজ শুরু করেছে। উপজেলার মিরাট, হরিশপুর, ধনপাড়া, মেরিয়া, কুনৌজ, বড়খোল, আতাইকুলা, সিম্বা, খাগড়া, লোহাচূড়া, ছয়বাড়িয়া সহ প্রায় সবগুলো ইউনিয়নের মাঠে খুব তোর-জোর করেই ইরি-বোরো ধান রোপন শুরু করেছে কৃষকরা। মিরাট ইউনিয়নের হরিশপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল হামিদ ফারাজি জানান, আমাদের মাঠে একটু আগেই ধান লাগানো শুরু হয়। এবারে আকাশ ভালো থাকায় আগাম ইরি-বোরো ধান রোপন শুরু করেছি। চলতি মৌসুমে প্রায় ৩০ বিঘা জমিতে ইরি ধান রোপণ করবো। ইতিমধ্যে প্রায় ২০ বিঘা জমিতে ধান রোপণ শেষ হয়েছে। কৃষক আনিছার ফারাজি, বেলাল হোসেন, আবুল হোসেন আতাইকুলা গ্রামের মকলেছুর রহমান সহ বিভিন্ন এলাকার কৃষক জানান, এবার আবহাওয়া ভাল থাকায় এবং কৃষি অফিসের পরামর্শক্রমে সঠিক পরিচর্চা করার কারণে বীজতলার কোন সমস্যা হয়নি। কয়েক দিনের মধ্যে মাঠগুলোতে পুরোদমে ধান রোপণ শুরু হবে বলে জানান কৃষকরা। রাণীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম জানান, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে প্রায় ১৯ হাজার ৫ শ’ হেক্টর জমিতে ধান রোপনের লক্ষ মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বীজতলায় রোগ-বালায় দমনের জন্য আলোকফাঁদ সহ বিভিন্ন পদক্ষেপ ও কৃষকরা কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুসরণ করায় ধানের চারাগুলো রোগমুক্ত রয়েছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে আবাদের লক্ষ্য মাত্রা পূর্ণ হবে বলে তিনি জানান।


এই বিভাগের আরো খবর