ঢাকা, ১৮ জুলাই, ২০১৯ || ৩ শ্রাবণ ১৪২৬
bbp24 :: বরেন্দ্র প্রতিদিন
৩৯

বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের অতীত রেকর্ড কি আভাস দিচ্ছে?

প্রকাশিত: ৪ জুন ২০১৯  


চলতি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ইতিহাস গড়া জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে টিম বাংলাদেশ। বাংলাদেশ দলের দুর্দান্ত অলরাউন্ডিং পারফর্মেন্সের প্রশসাং করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি। দুরন্ত এক জয়ে বিশ্বকাপের শুরুটা অসাধারণ হয়েছে। এখন ক্রিকেটারদের চিন্তায় কেবল নিউজিল্যান্ড! এদিকে আগামীকাল বুধবার (৫ জুন) লন্ডনের কেনিংটন ওভালে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ড মানেই মধুর এক প্রতিপক্ষ। যাদের বিরুদ্ধে আছে মধুর কিছু স্মৃতি। ঘরের মাঠে কিউইদের দু-দুবার হোয়াইটওয়াশ করার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের আছে। আবার কষ্টের স্মৃতিও কম নয়। সব শেষ নিউজিল্যান্ড সফর গিয়ে তাদের সামনে যেন দাঁড়াতেই পারেনি মাশরাফিরা।তবে বিশ্বকাপে মানেই যেন সেমি ফাইনালিস্ট নিউজিল্যান্ড। দলটির অতীত রেকর্ড কিন্তু সেই সাক্ষ্যই দিচ্ছে। বিশ্বমঞ্চের বিগত ১১টি আসরের ছ’টিতেই (১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৯২, ১৯৯৯, ২০০৭, ২০১১) শেষ চারে খেলেছে তাসমান সাগর পাড়ের এই দেশটি। আর একবার খেলেছে ফাইনালে। সেটাও বেশি দিন আগের কথা না, মাত্র এক আসর আগেই অর্থাৎ ২০১৫ সালে। এতে একটি বিষয় পরিষ্কার যে বিশ্বকাপে কমপক্ষে সেমি ফাইনালের পথ মসৃণে তারা সিদ্ধহস্ত। এমন প্রতিপক্ষ যে কোনো দলের জন্যই ভীতির কারণ। এদিকে চলতি আসরেও শুরুটাও উড়ন্ত করেছে ছয়বারের সেমি ফাইনালিস্টরা। শ্রীলঙ্কাকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বমঞ্চে শ্রেষ্ঠত্বের আগাম জানান দিয়ে রেখেছে কেন উইলিয়ামসন অ্যান্ড কোং। নিউজিল্যান্ডের মতো বাংলাদেশও বিশ্বকাপের এবারের আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত করেছে। শক্তিমত্তা ও মাঠের রণ কৌশলে সব সময় এগিয়ে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দিয়েছে ২১ রানের ব্যবধানে। আর আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এই জয়টিই আগামী পরশু কিউই বধের মূল জ্বালানি হিসেবে কাজ করবে। নিউজিল্যান্ড দলে দ্রুত গতির বোলার আছে, পাওয়ার হিটার ব্যাসম্যান আছে, ফিল্ডাররাও দুর্দান্ত। কিন্তু বাংলাদেশ দলের আছে অদম্য মানসিকতা। এই দলে সিনিয়রদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এখন তরুণরাও পারফর্ম করছেন। আর প্রতিপক্ষকে ভয় ধরানোর জন্য আমাদের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার তো আছেনই! সাকিবকে নিয়ে খুবই উচ্ছ্বসিত ক্যাপ্টেন মাশরাফি, ‘সাকিব আমাদের সেরা খেলোয়াড়, বিশ্বেও সেরা। শুধু এটুকুই বলব না। সে এমন খেলোয়াড়, যাকে সবাই ভিন্ন চোখে দেখে।’